1. marufhassain@gmail.com : admin :

September 22, 2021, 7:42 pm

শিরোনামঃ
বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই কৃষিতে বিস্ময়কর সাফল্য এসেছে-কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে বেড়েছে পাট চাষ ঝালকাঠিতে কাজি পেয়ারার বাম্পার ফলন এফবিসিসিআইয়ের ম্যাধ্যমে আপনাদের কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, সেগুলো জানাবেন। আমরা সেগুলো সুপারিশ করব।’-কৃষিমন্ত্রী পদ্মার চরে কলা চাষে চমকে দিলেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান দেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল: কৃষিমন্ত্রী কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষিবান্ধব নীতি বাস্তবায়ন করছে সরকার-কৃষিমন্ত্রী কৃষি মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হার ৯৮ শতাংশ উন্নয়নশীল দেশের খাদ্যচক্রে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব: কৃষিমন্ত্রী বাড়ছে ছাদ বাগান ও ছাদ কৃষির আগ্রহ
শীতের আগাম সবজিতে খুশি চাষিরা

শীতের আগাম সবজিতে খুশি চাষিরা

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ও জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে মাঠভরা এখন নতুন সবজি। শীতের শুরুতে আগাম সবজির ফলন ভালো হওয়ায় লাভবান সুনামগঞ্জের কৃষকরা। ইতিমধ্যে আগাম সবজি বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে পেরে খুশি তারা। সুনামগঞ্জ শহরতলির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা নদীর উত্তরপাড়ের বিশাল এলাকাজুড়ে সবজির চাষ হয়।

শুক্রবার (০৬ নভেম্বর) সবজি চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছরের মতো এবারও সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ও অক্টোবরের শুরুর দিকেই লাউ, সিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, করলা, লালাশাক, ডাঁটাশাক, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, ঝালি কুমরাসহ নানা ধরনের সবজি চাষ করেন চাষিরা।

কিন্তু অক্টোবরের শুরুর দিকে পাহাড়ি ঢলে নিচু এলাকার সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়। তবে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি চাষাবাদ করা উঁচু এলাকার সবজি এখন বাজারে উঠতে শুরু হয়েছে। এই সবজির দামও আশানুরূপ পাচ্ছেন বলে জানান কৃষক।

জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের পুরাতন গোদিগাঁও গ্রামের সবজি চাষি লিয়াকত আলী বলেন, পাহাড়িঢলে বেশিরভাগ সবজি ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় কষ্টের মধ্যে পড়েছিলাম। সামান্য কিছু উঁচু জমিতে করলা, পানি লাউ ও লালশাক চাষ হয়েছিল।

এখন সেগুলো বিক্রি করার উপযোগী হয়েছে। দামও ভালো পাচ্ছি। করলা সুনামগঞ্জের বাজারে নিয়ে বিক্রি করলে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি, পানি লাউ প্রতিটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, সিম বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে।

লালশাক প্রতি আটি ৫ থেকে ৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থার যন্ত্রণায় জমিতে রেখেই কেউ কেউ আগাম সবজি বিক্রি করছেন, এক্ষেত্রে দাম কম পাওয়া যাচ্ছে। পরিবহন খরচ ও সময় বাঁচানোর জন্য জমি থেকে কেউ কেউ অর্ধেক দামে সবজি বিক্রি করছেন।

একই গ্রামের রহম আলী ও আবুল মিয়া জানান, ডাটাশাক, মুলাশাক, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, ঝালি কুমরা আগাম বিক্রি করতে পেরে খুশি। এরা বললেন, ১৫ দিন পরে সবজির দাম অর্ধেক হয়ে যাবে। যারা আগাম বিক্রি করতে পারছে, তারা লাভবান হচ্ছে। গোদিগাঁওয়ের সবজি চাষি রাশেদ মিয়া ও আবুল কাসেম বলেন, আগাম সবজি এবার খুব ভালো হয়েছে। দাম অন্যান্য বছরের চেয়ে বেশি পাচ্ছেন তারা।

সুনামগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোস্তফা ইকবাল আজাদ বলেন, পুরো জেলায় এ বছর ১২ হাজার ৫৬০ হেক্টর সবজি চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর মধ্যে ৪৫০০ হেক্টর জমিতে ইতিমধ্যে সবজি চাষাবাদ হয়েছে। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের আবাদ করা সবজি বাজারে ওঠা শুরু হয়েছে। এ সবজির দাম ভালো পাচ্ছেন কৃষকরা।

তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Design & Developed BY Md. Maruf Hossain