1. marufhassain@gmail.com : admin :

September 23, 2021, 9:21 pm

শিরোনামঃ
বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই কৃষিতে বিস্ময়কর সাফল্য এসেছে-কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে বেড়েছে পাট চাষ ঝালকাঠিতে কাজি পেয়ারার বাম্পার ফলন এফবিসিসিআইয়ের ম্যাধ্যমে আপনাদের কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, সেগুলো জানাবেন। আমরা সেগুলো সুপারিশ করব।’-কৃষিমন্ত্রী পদ্মার চরে কলা চাষে চমকে দিলেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান দেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল: কৃষিমন্ত্রী কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষিবান্ধব নীতি বাস্তবায়ন করছে সরকার-কৃষিমন্ত্রী কৃষি মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হার ৯৮ শতাংশ উন্নয়নশীল দেশের খাদ্যচক্রে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব: কৃষিমন্ত্রী বাড়ছে ছাদ বাগান ও ছাদ কৃষির আগ্রহ
পটুয়াখালীতে আম বাগানে আনারস চাষে সাফল্য

পটুয়াখালীতে আম বাগানে আনারস চাষে সাফল্য

জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে দিন দিন হুমকির মুখে পড়ছে উপকূলের কৃষি ব্যবস্থাপনা। এমন পরিস্থিতিতে একই জমি থেকে একাধিক বার ফসল উৎপাদন এবং জমির বহুবিদ ব্যবহারের কথা বলছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র।

দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকদের এ বিষয়ে সরাসরি ধারণা দিতে গবেষণা কেন্দ্রের আম বাগানে সাথী ফসল হিসেবে আনারস চাষ করা হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় এ চাষপদ্বতি দেখে স্থানীয়রা আনারস চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে কারিগরি সহযোগিতার কথা জানান কৃষি বিজ্ঞানীরা।

পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলে সাধারণত বাড়ির আশপাশে আনারস রোপণ করলেও বাণিজ্যিকভাবে আবাদ দেখা যায় না। ফলে দেশের অন্য জেলা থেকে আনারস সংগ্রহ করে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করা হয়। ফলে স্থানীয় বাজারগুলোয় আনারসের দাম থাকে ভালো।

anarosh1

আনারস ছায়াযুক্ত স্থানে ফালো ফলন দেওয়ায় এবার আম বাগানে আনারস চাষের কথা বলছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘এবার জায়েন্ট কিউ এবং নরসিংদীর ঘোড়াশাল জাতের আনারস চাষ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্ষার শেষদিকে বিশেষ করে জুন-জুলাই মাসে আনারসের চারা রোপণ করলে এবং একটু পরিচর্যা করলেই ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব। প্রথম লাগানোর পর ১৮ মাসে এবং এরপর প্রতিবছর ফলন পাওয়া যায়। এবার কেন্দ্রে হেক্টরপ্রতি ৪০ টন ফলন পাওয়া গেছে।’

anarosh1

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য সবার জন্য খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্য অর্জন করতে জমির স্বল্পতা কমাতে হবে। এর জন্য আন্তঃফসল চাষ বাড়াতে হবে। তাই আম বাগানেই আনারস চাষ করা হয়েছে।’

এ কৃষি বিজ্ঞানী আরও বলেন, ‘কৃষকের আর্থ-সামাজিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে ফসল ফলাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, কৃষক যেন ভালো দামে ফসলটি বিক্রি করতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি ব্যবস্থাপনায় বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কিভাবে এ অঞ্চলে লবণাক্ততা ও খরাসহিষ্ণু আম, আনারসের জাত উদ্ভাবন করা যায়; তা নিয়েও কৃষি বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন।’ তথ্যসুত্রঃ জাগো নিউজ ২৪

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Design & Developed BY Md. Maruf Hossain