1. marufhassain@gmail.com : admin :

September 25, 2021, 4:06 am

শিরোনামঃ
বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই কৃষিতে বিস্ময়কর সাফল্য এসেছে-কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে বেড়েছে পাট চাষ ঝালকাঠিতে কাজি পেয়ারার বাম্পার ফলন এফবিসিসিআইয়ের ম্যাধ্যমে আপনাদের কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, সেগুলো জানাবেন। আমরা সেগুলো সুপারিশ করব।’-কৃষিমন্ত্রী পদ্মার চরে কলা চাষে চমকে দিলেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান দেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল: কৃষিমন্ত্রী কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষিবান্ধব নীতি বাস্তবায়ন করছে সরকার-কৃষিমন্ত্রী কৃষি মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হার ৯৮ শতাংশ উন্নয়নশীল দেশের খাদ্যচক্রে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব: কৃষিমন্ত্রী বাড়ছে ছাদ বাগান ও ছাদ কৃষির আগ্রহ
নেত্রকোনায় বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষ

নেত্রকোনায় বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষ

করোনাকালের সময়কে কাজে লাগিয়ে ইউটিউব দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে নেত্রকোনায় এই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে ড্রাগন। আর এই চাষকে ঘিরে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন হাঁস মুরগী, মাছ, সবজিসহ সমন্বিত খামার গড়ে তুলেছেন হাফিজা আক্তার নামের এক নারী। এটিকে ঘিরে অন্তত ওই এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে কিছু মানুষের কর্মসংস্থান। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার আটপাড়া উপজেলার মদন সড়কের পাশে গত চারমাস ধরে তৈরি করা এমন একটি নান্দনিক কৃষি ফার্ম দেখে অনেকেই আগ্রহ নিয়ে দেখতে যান খামারটি। অনেকেই মনে করেন শুধু আয় নয় এমন উদ্যোগে খাদ্য চাহিদার ঘাটতিও পূরণ হবে স্থানীয় ভাবে। নিজ শ্বশুর বাড়ি এলাকা আটপাড়ার তলিগাতী ইউনিয়নের টেংগা গ্রামে ৩২ কাঠা জায়গায় এএসসি এগ্রো ফার্মটি প্রতিষ্ঠা করেছেন এডভোকেট হাফিজা আক্তার।গত জানুয়ারি মাস থেকে তিনি শুরু করেছেন ভিয়েতনাম জাতীয় ড্রাগনের চাষ। ১৫ শ খুঁটিতে মোট ৬ হাজার চারা লাগিয়েছেন। এর সাথে সাথে হাঁস, মুরগী, ছাগল, ভেরা, কবুতর পালন করছেন। সেইসাথে পুকুর খনন করে করছেন দেশীয় মাছ চাষ।

পুকুরের চারপাশ জুরে নারিকেল ৫০টি, কমলা ১০টি, লেবু ৩০টি, পেঁপে গাছসহ বিভিন্ন চারা গাছ লাগানো হয়েছে। হচ্ছে শাক সবজির চাষও। প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ড্রাগন চাষের সহায়ক হিসেবে সমন্বিত খামারে হাঁস ৬০০, কবুতর ৮০ জোরা, দেশীয় মুরগী ১০০জোরা, ভেরা ৪ টি, ছাগল ১৬টিসহ শতাধিক ফলদ গাছ লাগানো হয়েছে ফার্মে। 

এ সকল কাজে এলাকার দিন মজুর শ্রমিকরা পেয়েছেন কর্মসংস্থান। স্থায়ীভাবে ফার্মটিতে ৫ জন বেতনভুক্ত হয়ে কাজ করলেও আরও ৩০ থেকে ৩৫ জন শ্রমিক দিন হিসেবে কাজ করছেন। এতে করে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের পুষ্টির জোগান হচ্ছে। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ এফএম মোবারক আলী জানান, দামী এই ফল শুধু লাভদায়কই নয়। এটি একটি ভেষজ ঔষধও বলা চলে। একবার চাষ করতে পারলে ৩০ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত ফলন ধরে। শুধু ধান চাষ নিয়ে পড়ে না থেকে তিনি কৃষিতে আগানোর জন্য অন্যদের ড্রাগন চাষের আহ্বান জানান।

তথ্যসুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Design & Developed BY Md. Maruf Hossain