1. marufhassain@gmail.com : admin :

September 24, 2021, 10:34 pm

শিরোনামঃ
বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই কৃষিতে বিস্ময়কর সাফল্য এসেছে-কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে বেড়েছে পাট চাষ ঝালকাঠিতে কাজি পেয়ারার বাম্পার ফলন এফবিসিসিআইয়ের ম্যাধ্যমে আপনাদের কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, সেগুলো জানাবেন। আমরা সেগুলো সুপারিশ করব।’-কৃষিমন্ত্রী পদ্মার চরে কলা চাষে চমকে দিলেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান দেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল: কৃষিমন্ত্রী কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষিবান্ধব নীতি বাস্তবায়ন করছে সরকার-কৃষিমন্ত্রী কৃষি মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হার ৯৮ শতাংশ উন্নয়নশীল দেশের খাদ্যচক্রে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব: কৃষিমন্ত্রী বাড়ছে ছাদ বাগান ও ছাদ কৃষির আগ্রহ
‘উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণে নতুন জাত ও প্রযুক্তি মাঠে নিয়ে যেতে হবে’

‘উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণে নতুন জাত ও প্রযুক্তি মাঠে নিয়ে যেতে হবে’

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণ করতে হলে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত নতুন নতুন জাত ও প্রযুক্তি অবশ্যই দ্রুত সময়ের মধ্যে মাঠে নিয়ে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত কৃষি কর্মকর্তাদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। বিএডিসি-কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের লিংকেজ আরো জোরদার করতে হবে।

রোববার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, ময়মনসিংহ আঞ্চলিক অফিসের সহযোগিতায় “ময়মনসিংহ অঞ্চলের বর্তমান রোপা আমন আবাদ পরিস্থিতি এবং আগামী বোরো ও রবি মওসুমের প্রস্তুতি” বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান এসব কথা বলেন।

কৃষি সচিব বলেন, বর্তমান খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করার জন্য ময়মনসিংহ অঞ্চলের হালুয়াঘাট এলাকার পতিত জমিগুলো চাষাবাদের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। দেশের প্রতিটি উপজেলায় পারিবারিক পুষ্টিবাগান সৃজনের জন্য সরকারি সহযোগিতার অর্থ সুষ্ঠু ব্যবহারের জন্য তিনি কৃষি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। সরকারি প্রণোদনা, পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণের অর্থ সঠিকভাবে কৃষকদের মাঝে বিতরণের জন্য তিনি গ্রুপ ভিত্তিক পর্যায়ক্রম পদ্ধতি অনুসরণের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন- ড. তমাল লতা আদিত্য, পরিচালক (গবেষণা), ব্রি। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কৃষিবিদ ড. মো. আবদুল মুঈদ, মহাপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, ড. আবুল কালাম আযাদ পরিচালক (প্রশাসন), বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং ড. কৃষ্ণ পদ হালদার, পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা), ব্রি।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধান এবং প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাবৃন্দ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, ময়মনসিংহ অঞ্চলের ৪টি জেলার উপ-পরিচালকগণ, অতিরিক্ত উপ-পরিচালকগণ, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির ময়মনসিংহ অঞ্চলের ৪টি জেলার জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের ময়মনসিংহ অঞ্চলের যুগ্ম পরিচালক ও অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ কর্মশালায় অংশ গ্রহণ করেন। বারি ও এআরডিআই-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন- ড. খন্দকার মোঃ ইফতেখারুদৌলা, মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং প্রধান, উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ, ব্রি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পক্ষ থেকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মো. রেজাউল করিম, অতিরিক্ত পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, ময়মনসিংহ অঞ্চল, ময়মনসিংহ।

তথ্যসূত্র: জাগো নিউজ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Design & Developed BY Md. Maruf Hossain